এখন থেকে নিজেই নিজের মত করে তৈরি করুন আপনার গ্রেটিং কার্ড । আর তা করার জন্য আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি AMS Greeting Card Studio 5.21 য়ার দ্বারা খুব সহজেই আপনারা তৈরি করতে পারবেন হাই কোয়ালিটি সম্পূর্ন দারুন সব গ্রেটিং । AMS Greeting Card Studio 5.21 দ্বারা আপনারা ছবিতেও বিভিন্ন ইফেক্ট যোগ করতে পারবেন অথবা কার্ডে নিজের পছন্দ ছবি ব্যবহার করতে পারবেন । চলুন না ডাউনলোড করে দেখা যাক । নিচে AMS Greeting Card Studio 5.21 দিয়ে এডিট করা কিছু ছবি দেওয়া হলো
ডউনলোড লিংক (সফটয়্যার)
ডউনলোড লিংক (সিরিয়াল কী)
Tuesday, March 27, 2012
Sunday, March 25, 2012
Reasons to buy
- Help prevent theft or loss of data: Use BitLocker and BitLocker To Go to better protect your valuable files – even on removable drives such as USB devices.
- Automatically back up your files: Protect your data from user error, hardware failure, and other problems. You can back up your files to an external hard drive, secondary hard drive, writable CD or DVD, or to a network location.
- Find virtually anything on your PC – from documents to photos to e-mail: Just click on the Start button, and enter a word or few letters in the name or file you want into the search box, and you’ll get an organized list of results.
- Save time and money resolving IT issues: Take advantage of the powerful diagnostics and troubleshooters built into Action Center to resolve many computer problems on your own.
- Get remote services with DirectAccess: Access corporate resources seamlessly when you’re on the Internet, without having to initiate a VPN connection.1
- Share files across the various PCs in your home: Use HomeGroup to connect your PCs running Windows 7 to a single printer. Specify exactly what you want to share from each PC with all the PCs in the HomeGroup.
- Connect multiple PCs, with or without a server: Use Domain Join to connect PCs quickly and more securely to your wired or wireless domain network.
- Work in the language of your choice: Switch between any of 35 languages as easily as logging off and back on again.
- Automatically back up your files: Protect your data from user error, hardware failure, and other problems. You can back up your files to an external hard drive, secondary hard drive, writable CD or DVD, or to a network location.
- Find virtually anything on your PC – from documents to photos to e-mail: Just click on the Start button, and enter a word or few letters in the name or file you want into the search box, and you’ll get an organized list of results.
- Save time and money resolving IT issues: Take advantage of the powerful diagnostics and troubleshooters built into Action Center to resolve many computer problems on your own.
- Get remote services with DirectAccess: Access corporate resources seamlessly when you’re on the Internet, without having to initiate a VPN connection.1
- Share files across the various PCs in your home: Use HomeGroup to connect your PCs running Windows 7 to a single printer. Specify exactly what you want to share from each PC with all the PCs in the HomeGroup.
- Connect multiple PCs, with or without a server: Use Domain Join to connect PCs quickly and more securely to your wired or wireless domain network.
- Work in the language of your choice: Switch between any of 35 languages as easily as logging off and back on again.
Wednesday, March 7, 2012
এবার নিজেই তৈরি করুন আপনার Shutdown, Restart ও Logoff বাটন আপনার Desktop এ …… সফটওয়্যার ছারাই
আপনি যদি ইচ্ছা করেন তাহলে আপনি নিজেই আপনি আপনার Shutdown, Restart ও Logoff এর শর্টকাট মেনু বানাতে পারেন আপনার ডেক্সটপে।
কিভাবে করবেন ? নিচে দেখুন……
১ প্রথমে আপনার মাউস এর রাইট বাঁটনের ক্লিক করুন।
২ তারপর নিউ তারপর শর্টকাট সিলেক্ট করুন।

৩ এবার একটি ডায়ালগ বক্স আসবে একানে লিখুন Shutdown -s -t 10

<> আপনি ইচ্চা করলে সময় বাড়িয়ে নিতে পাড়েন, আমি আপনাদের বুঝানুর জন্য ১০ সেকেন্ড টাইম দিলাম। (মানে আপনি ১০ এর জায়গায় ইচ্ছা মত সময় নিরধারন করে দিতে পাড়েন )
৪ এবার next বাঁটন এ ক্লিক করুন।
৫ Shortcut এর নাম দিন Shutdown PC
৬ এবার Finis বাঁটন এ ক্লিক করুন।

৮ আপনি ইচ্ছা করলে আইকন পরিবর্তন করে দিতে পাড়েন।
৯ আইকন পরিবর্তন করার জন্য Shutdown PC এর উপর মাউস পয়েন্টার রেখে রাইট বাঁটনে ক্লিক করে properties এ ক্লিক করুন এবং পরে change icon এ ক্লিক করুন ।
১০ এবার icon সিলেক্ট করে OK বাটনে ক্লিক করুন।
১১ এবার Shutdown PC এর উপর ডাবল ক্লিক করুন এবার দেখবেন কম্পিউটার Shutdown হয়ে যাবে।
Restart বাটন
এটি তৈরি করতে হবে টিক Shutdown এর মত করে, শুধু কোড টি আলাদা হবে। Restart বাটন এর কোড হল shutdown -r -t 10
Log off বাটন
এটিও তৈরি করতে হবে আগের টির মতই, শুধু কোড টি আলাদা হবে। Log off বাটন এর কোড হল shutdown -l -t 10
যদি পেরে থাকেন বা যেকোনো সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যয় জানাবেন। সবাই ভাল থাকুন
কিভাবে করবেন ? নিচে দেখুন……
১ প্রথমে আপনার মাউস এর রাইট বাঁটনের ক্লিক করুন।
২ তারপর নিউ তারপর শর্টকাট সিলেক্ট করুন।
৩ এবার একটি ডায়ালগ বক্স আসবে একানে লিখুন Shutdown -s -t 10
<> আপনি ইচ্চা করলে সময় বাড়িয়ে নিতে পাড়েন, আমি আপনাদের বুঝানুর জন্য ১০ সেকেন্ড টাইম দিলাম। (মানে আপনি ১০ এর জায়গায় ইচ্ছা মত সময় নিরধারন করে দিতে পাড়েন )
৪ এবার next বাঁটন এ ক্লিক করুন।
৫ Shortcut এর নাম দিন Shutdown PC
৬ এবার Finis বাঁটন এ ক্লিক করুন।
৮ আপনি ইচ্ছা করলে আইকন পরিবর্তন করে দিতে পাড়েন।
৯ আইকন পরিবর্তন করার জন্য Shutdown PC এর উপর মাউস পয়েন্টার রেখে রাইট বাঁটনে ক্লিক করে properties এ ক্লিক করুন এবং পরে change icon এ ক্লিক করুন ।
১০ এবার icon সিলেক্ট করে OK বাটনে ক্লিক করুন।
১১ এবার Shutdown PC এর উপর ডাবল ক্লিক করুন এবার দেখবেন কম্পিউটার Shutdown হয়ে যাবে।
Restart বাটন
এটি তৈরি করতে হবে টিক Shutdown এর মত করে, শুধু কোড টি আলাদা হবে। Restart বাটন এর কোড হল shutdown -r -t 10
Log off বাটন
এটিও তৈরি করতে হবে আগের টির মতই, শুধু কোড টি আলাদা হবে। Log off বাটন এর কোড হল shutdown -l -t 10
যদি পেরে থাকেন বা যেকোনো সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যয় জানাবেন। সবাই ভাল থাকুন
Tuesday, March 6, 2012
বিশেষ কোন চিহ্ন খুজে পাওয়া
আমরা সাধারণত বাংলা ও ইংরেজী টাইপ করি। কিন্তু সমস্যা হলো যে কিছু কিছু অক্ষর আছে যা টাইপ করা যায় না। যেমন- রেজিস্টার চিহ্ন ও এ জাতীয় আরো কিছু। কিন্তু এগুলো আমি /আমরা কোথায় পাবো।
এমনকি আপনি চায়লে @ এই চিহ্ন কিবোর্ড এ সংখ্যা মাধ্যমে দিতে পারেন যেমন কিবোর্ড থেকে Alt(অলটার) বাটন চেপে ধরে নাম্বার কি এর সংখ্যা ৬৪ চাপুন পরে ছেড়ে দিন দেখবেন @ চলে এসেছে। এছাড়া আরো কিছু পেতে হলে-Start >All Programs > Accessories > System Tools > Character Map-ক্লিক করুন। বক্স আসবে একদম নিচে ডান হাতের দিকে সিলেক্ট লিখার নিচে কিষ্ট্রোক -এ লিখা আছে অল্টার ধরে কি কি সংখ্যা চাপতে হবে। বক্স আসার পরে আপনি যে চিহ্ন টি চান তা খুজে বের করুন। তারপরে নিচে কিস্ট্রো নামে একটি অপসন আসবে তাতে লিখা থাকে keystroke: alt+0169 এটা দেখার পরে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো কিবোর্ড থেকে অল্টার ধরে ০১৬৯ চাপুণ ০১৬৯ তারপরে অল্টার ছেড়ে দিন। তাহলে কপিরাইট চলে আসবে ০১৬৯। তবে যেই চিহ্ন গুলোর কোন সংখ্যা নেই সে গুলো হবে না।আমরা সাধারণত বাংলা ও ইংরেজী টাইপ করি। কিন্তু সমস্যা হলো যে কিছু কিছু অক্ষর আছে যা টাইপ করা যায় না। যেমন- রেজিস্টার চিহ্ন ও এ জাতীয় আরো কিছু। কিন্তু এগুলো আমি /আমরা কোথায় পাবো।
এমনকি আপনি চায়লে @ এই চিহ্ন কিবোর্ড এ সংখ্যা মাধ্যমে দিতে পারেন যেমন কিবোর্ড থেকে Alt(অলটার) বাটন চেপে ধরে নাম্বার কি এর সংখ্যা ৬৪ চাপুন পরে ছেড়ে দিন দেখবেন @ চলে এসেছে। এছাড়া আরো কিছু পেতে হলে-Start >All Programs > Accessories > System Tools > Character Map-ক্লিক করুন। বক্স আসবে একদম নিচে ডান হাতের দিকে সিলেক্ট লিখার নিচে কিষ্ট্রোক -এ লিখা আছে অল্টার ধরে কি কি সংখ্যা চাপতে হবে। বক্স আসার পরে আপনি যে চিহ্ন টি চান তা খুজে বের করুন। তারপরে নিচে কিস্ট্রো নামে একটি অপসন আসবে তাতে লিখা থাকে keystroke: alt+0169 এটা দেখার পরে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো কিবোর্ড থেকে অল্টার ধরে ০১৬৯ চাপুণ ০১৬৯ তারপরে অল্টার ছেড়ে দিন। তাহলে কপিরাইট চলে আসবে ০১৬৯। তবে যেই চিহ্ন গুলোর কোন সংখ্যা নেই সে গুলো হবে না।আপনার পিসি থেকে শেয়ার করুন ইন্টারনেট, ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে এবং আপনার মোবাইল বা ল্যাপটপ এ ইন্টারনেট চালান ফ্রীতে
আজকে আমি আপনাদেরকে পিসি থেকে ইন্টারনেট শেয়ার করা শিখাবো,
প্রথমে দেখে নিন কি কি লাগবে……
লক্ষ্য করুন আপনার হটস্পট টি অফ লাইন আছে, এবার আমরা Connectify সফটওয়্যার এর সেটিং এ যা যা করা দরকার তা করব।
১। Hostpot Name: ( যে নামে ইন্টারনেট শেয়ার করতে চাইছেন সে নাম দিন)
২। Password : (এখানে আপনি আপনার ইচ্ছা মত Password দিন)
৩। Internet : (এখানে আপনি যে ইন্টারনেট টি শেয়ার করবেন তা সিলেক্ট করুন মানে আপনি যে ইন্টারনেট চালান এখানে সেটা দেখাবে এবং তা সিলেক্ট করে দিন, যেমন আমি Broadband চালাই তাই Broadband সিলেক্ট করেছি )
৪। Advanced : (এখানে দেখুন Shar over & sharing mode রয়েছে, Share over আপনার WLAN ডিভাইসটি সিলেক্ট করুন ও sharing mode এ WI-Fi Access Point, Encrypted(WPA2) সিলেক্ট করে দেন।
৫। এবার Start Hotspot এ ক্লিক করুন একটু অপেক্ষা করুন তারপর দেখুন আপনার হটস্পট টি চালু হয়ে গেসে।
এবার আপনার মোবাইল বা ল্যাপটপ এ Wirless Lan সার্চ দেন দেখুন আপনার হটস্পট টি পেয়েছে আপনার নামে( Hostpot name এ যে নাম লিখেছিলেন সে নামে পাবে) আপনার মোবাইল বা ল্যাপটপ এ ওয়াইফাই টি চালু করতে হলে দেখবেন password চাইতেছে আপনার password টি দেন (মানে আপনি Connectify এর password এ যে password দিয়ে ছিলেন সেটি দিন)।
এবার মনের আনন্দে আপনার মোবাইল বা ল্যাপটপ এ ফ্রী নেট চালান।
আশা করি সবাই বুঝতে পারছেন যদি সমস্যা হয় বা ভাল লেগে তাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট দিয়ে জানাবেন, আমি এখানে নতুন লিখতেছি তাই আমার লেখায় অনেক ভুল হতে পারে নিজের ছোটভাই হিসেবে মাপ করে দিবেন।
সবাই কে অনেক ধন্যবাদ…
আমার একটি ব্লগ আছে একবার গুরে আসতে পারেন। একানে
প্রথমে দেখে নিন কি কি লাগবে……
- ইন্টারনেট
- একটি USB WLAN Router ডিভাইস ( এটা আপনি বাজারে কিনতে পারবেন, দাম মাত্র ২০০ কি ২৫০ টাকা ) / অথবা, আপনার ল্যাপটপ।
- Connectify নামের একটি সফটওয়্যার ( ডাউনলোড করুন এখান থেকে)
লক্ষ্য করুন আপনার হটস্পট টি অফ লাইন আছে, এবার আমরা Connectify সফটওয়্যার এর সেটিং এ যা যা করা দরকার তা করব।
১। Hostpot Name: ( যে নামে ইন্টারনেট শেয়ার করতে চাইছেন সে নাম দিন)
২। Password : (এখানে আপনি আপনার ইচ্ছা মত Password দিন)
৩। Internet : (এখানে আপনি যে ইন্টারনেট টি শেয়ার করবেন তা সিলেক্ট করুন মানে আপনি যে ইন্টারনেট চালান এখানে সেটা দেখাবে এবং তা সিলেক্ট করে দিন, যেমন আমি Broadband চালাই তাই Broadband সিলেক্ট করেছি )
৪। Advanced : (এখানে দেখুন Shar over & sharing mode রয়েছে, Share over আপনার WLAN ডিভাইসটি সিলেক্ট করুন ও sharing mode এ WI-Fi Access Point, Encrypted(WPA2) সিলেক্ট করে দেন।
৫। এবার Start Hotspot এ ক্লিক করুন একটু অপেক্ষা করুন তারপর দেখুন আপনার হটস্পট টি চালু হয়ে গেসে।
এবার আপনার মোবাইল বা ল্যাপটপ এ Wirless Lan সার্চ দেন দেখুন আপনার হটস্পট টি পেয়েছে আপনার নামে( Hostpot name এ যে নাম লিখেছিলেন সে নামে পাবে) আপনার মোবাইল বা ল্যাপটপ এ ওয়াইফাই টি চালু করতে হলে দেখবেন password চাইতেছে আপনার password টি দেন (মানে আপনি Connectify এর password এ যে password দিয়ে ছিলেন সেটি দিন)।
এবার মনের আনন্দে আপনার মোবাইল বা ল্যাপটপ এ ফ্রী নেট চালান।
আশা করি সবাই বুঝতে পারছেন যদি সমস্যা হয় বা ভাল লেগে তাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট দিয়ে জানাবেন, আমি এখানে নতুন লিখতেছি তাই আমার লেখায় অনেক ভুল হতে পারে নিজের ছোটভাই হিসেবে মাপ করে দিবেন।
সবাই কে অনেক ধন্যবাদ…
আমার একটি ব্লগ আছে একবার গুরে আসতে পারেন। একানে
Fences ব্যবহার করে আপনার পিসির ডেস্কটপকে করুন আরো সুবিন্যাস্ত
Fences ব্যবহার করে আপনার পিসির ডেস্কটপকে করুন আরো সুবিন্যাস্ত
অনেকের পিসির ডেস্কটপ দেখলে মনে হয় যেন মাছের বাজার বসেছে। আমরা যদি ডেস্কটপের এইসব ফাইল / ফোল্ডার / শর্টকাটগুলোকে বিভিন্ন দলে ভাগ করে সাজিয়ে রাখতে পারতাম তা হলে অনেক সহজেই প্রয়োজনীয় জিনিসটি খুঁজে পেতাম। কিন্তু উইন্ডোজে সেই রকম কোন বিল্টইন ফিচার নেই। তবে থার্ডপার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার করে আমরা তা করতে পারি।
এই রকম একটা সফটওয়্যার হল Fences। এই নামের বাংলা অর্থ হল বেড়া। নাম শুনেই নিশচই এর কাজ সম্পর্কে কিছুটা ধরনা করতে পারছেন। হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন, এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনি ডেস্কটপের যে কোন অংশে আলাদা আলাদা এলাকা তৈরী করতে পারবেন। এবং আপনার ডেস্কটপের ফাইল / ফোল্ডার / শর্টকাটগুলোকে বিভিন্ন দলে ভাগ করে সাজিয়ে রাখতে পারবেন। সফটওয়্যারটির ফ্রি এবং প্রো ভার্শন আছে তবে ফ্রি ভার্শনেই আমাদের কাংক্ষিত কাজটুকু হয়ে যাবে। ডাউনলোড করুন নিচের লিংক থেকে। ডাউনলোড হয়ে গেলে ইনস্টল করে ফেলুন বাই-ডিফল্ট দুটো এরিয়া পেয়ে যাবেন। এছাড়া এর সেটিং এ গেলে বিভিন্ন পূর্বনির্ধারিত লেআউট পাবেন। অথবা আপনি ডেস্কটপের খালি অংশে রাইট মাউস বাটন চেপে ধরে ড্র্যাগ করে ও প্রয়োজনমত তৈরী করে নিতে পারবেন। সেটিং এ প্রবেশ করার জন্য ডেস্কটপের খালি অংশে রাইট ক্লিক করলেই Configure Fences… দেখতে পাবেন। বিভিন্ন এরিয়া তৈরী করে আপনার ডেস্কটপের সব ফাইল / ফোল্ডার / শর্টকাটগুলোকে ড্র্যাগ করে তৈরী বিভিন্ন এলাকায় ছেড়ে দিন। দেখবেন অনেক সহজেই এখন আইকনগুলো খুঁজে পাবেন। এবং আপনির পিসির ডেস্কটপ ও দেখতে অনেক সুবিন্যাস্ত থাকবে।
লিংক- http://download.cnet.com/Fences/3000-2072_4-10909535.html
অনেকের পিসির ডেস্কটপ দেখলে মনে হয় যেন মাছের বাজার বসেছে। আমরা যদি ডেস্কটপের এইসব ফাইল / ফোল্ডার / শর্টকাটগুলোকে বিভিন্ন দলে ভাগ করে সাজিয়ে রাখতে পারতাম তা হলে অনেক সহজেই প্রয়োজনীয় জিনিসটি খুঁজে পেতাম। কিন্তু উইন্ডোজে সেই রকম কোন বিল্টইন ফিচার নেই। তবে থার্ডপার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার করে আমরা তা করতে পারি।
এই রকম একটা সফটওয়্যার হল Fences। এই নামের বাংলা অর্থ হল বেড়া। নাম শুনেই নিশচই এর কাজ সম্পর্কে কিছুটা ধরনা করতে পারছেন। হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন, এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনি ডেস্কটপের যে কোন অংশে আলাদা আলাদা এলাকা তৈরী করতে পারবেন। এবং আপনার ডেস্কটপের ফাইল / ফোল্ডার / শর্টকাটগুলোকে বিভিন্ন দলে ভাগ করে সাজিয়ে রাখতে পারবেন। সফটওয়্যারটির ফ্রি এবং প্রো ভার্শন আছে তবে ফ্রি ভার্শনেই আমাদের কাংক্ষিত কাজটুকু হয়ে যাবে। ডাউনলোড করুন নিচের লিংক থেকে। ডাউনলোড হয়ে গেলে ইনস্টল করে ফেলুন বাই-ডিফল্ট দুটো এরিয়া পেয়ে যাবেন। এছাড়া এর সেটিং এ গেলে বিভিন্ন পূর্বনির্ধারিত লেআউট পাবেন। অথবা আপনি ডেস্কটপের খালি অংশে রাইট মাউস বাটন চেপে ধরে ড্র্যাগ করে ও প্রয়োজনমত তৈরী করে নিতে পারবেন। সেটিং এ প্রবেশ করার জন্য ডেস্কটপের খালি অংশে রাইট ক্লিক করলেই Configure Fences… দেখতে পাবেন। বিভিন্ন এরিয়া তৈরী করে আপনার ডেস্কটপের সব ফাইল / ফোল্ডার / শর্টকাটগুলোকে ড্র্যাগ করে তৈরী বিভিন্ন এলাকায় ছেড়ে দিন। দেখবেন অনেক সহজেই এখন আইকনগুলো খুঁজে পাবেন। এবং আপনির পিসির ডেস্কটপ ও দেখতে অনেক সুবিন্যাস্ত থাকবে।
লিংক- http://download.cnet.com/Fences/3000-2072_4-10909535.html
প্রথমে খালি CD/DVD টি রাইটারে প্রবেশ করাই_________
তারপর যে ফাইল গুলু রাইট করবো সেগুলু সিলেক্ট করে CD/DVD RW Drive এ সেন্ড করি.
এজন্য ফাইলটি সিলেক্ট করে send to অপসনে গিয়ে CD/DVD RW Drive এ সেন্ড করি.
আপনার খালি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা অনযায়ী ফাইল সেন্ড করুন.যেমন আমি যেই খালি DVD টা দিয়েছি তার ধারণ ক্ষমতা ৪.৭ জিবি .সুতরাং আপনি আপনার ডিস্কের ধারণ ক্ষমতার বেশি ফাইল CD/DVD RW Drive এ সেন্ড করবেন না.
ডিস্ক টাইটেল এ আপনার ডিস্কের এর নাম দেন.
With a CD/DVD player এইটা সিলেক্ট করুন.
Next এ ক্লিক করুন.এখন আপনার ফাইলগুলা কপি হবে:
নিচের এই বেলনটাতে ক্লিক করলে আপনি আপনার ফাইলগুলা দেখতে পারবেন:
CD/DVD RW Drive এ ফাইল দিয়ে ভর্তি করার পর CD/DVD RW Drive এ রাইট ক্লিক করে Burn to Disc এ ক্লিক করুন.
ডিস্ক টাইটেলে আপনার ডিস্কের নাম লিখুন.Next এ ক্লিক করুন.আপনি ইচ্ছা করলে আপনার রাইটিং স্পিড বাড়াতে বা কমাতে পারেন:
আপনার ডিস্ক রাইটিং হওয়া শুরু হয়ে গেছে:
ব্যাস আপনার কাজ শেষ.দেখুন কত দ্রুত আপনার CD/DVD টা রাইট হয়ে গেলো:
এই পদ্ধতিতে কেউ রাইট করে সফল হয়েছেন কিনা তা আমাকে কমেন্ট করে জানালে ধন্য হবো.
bootable disc রাইট করার টিপস: *.iso ফাইল ফরমেটে থাকলে তা তো সরাসরিই রাইট করা যায়.কিন্তু অন্য কোনো bootable disc থেকে bootable disc তৈরি করতে হলে bootable disc এ থাকা ফায়ল্গুলা হুবুহুবু কপি করে রাইট করে ফেলুন.তাহলেই দেখবেন আপনি bootable disc বানাতে সক্ষম হয়েছেন:
Video CD/DVD রাইট করার টিপস:একই ভাবে Video CD/DVD তে থাকা ফায়ল্গুলা হুবুহুবু কপি করে রাইট করে ফেলুন.যেমন Video DVD তে থাকা AUDIO_TS ও VIDEO_TS কপি করে রাইট করে ফেলুন:
বি:দ্র: উপরিউক্ত কাজের জন্য আপনার অবস্যই Blank CD/DVD লাগবে
পেন ড্রাইভ অথবা মেমোরি কার্ডকে র্যাম হিসেবে ব্যবহার করুন!!!!! (পড়লেই লাভ!!!)
বেশি কিছু না বলে, লেখা শুরু করলাম………………….!!!!! নিচের লেখাটি PDF ফাইল হিসেবে পড়তে চাইলে, এখানে ক্লিক করুন।
বিঃদ্রঃ নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করার পূর্বে অবশ্যই পেন ড্রাইভ অথবা মেমোরি কার্ড কম্পিউটারে লাগিয়ে নিতে হবে।
***পেন ড্রাইভ অথবা মেমোরি কার্ড কমপক্ষে 2GB হতে হবে***
১. প্রথমে My Computer এর Properties এ যান। এখন নিচের মত দেখতে পাবেন…………….২. এরপর Advanced এ ক্লিক করুন। এমন একটি Window আসবে…………
৩. Performance এর Settings এ ক্লিক করুন। নিচের মত একটি Window আসবে………….
৪. Performance Settings এর Advanced এdvanced ce Settings বেন র্ড কে ক্লিক করুন। এমন দেখতে পাবেন…………….
৫. Virtual Memory হতে Change এ ক্লিক করুন। নিচের মত একটি Window আসবে…………….
৬. এখন আপনার পেন ড্রাইভ অথবা মেমোরি কার্ড এর ড্রাইভটি সিলেক্ট করুন ………………..
৭. সাধারনত No paging file সিলেক্ট করা থাকে। আপনি Custom size সিলেক্ট করুন……….
৮. এখন, Initial size (MB) -তে আপনার মেমোরি কার্ড অথবা পেন ড্রাইভ এ যতটুকু জায়গা খালি আছে, তার থেকে অন্তত 30 MB কম লিখুন। এবং Maximum size (MB) –তে তার থেকে 15 MB কম লিখুন। যেমনঃ আমার পেন ড্রাইভে 2030 MB খালি আছে বলে, আমি Initial size (MB) –তে লিখেছি 2000 MB এবং Maximum size (MB) –তে লিখেছি 2015 MB. অর্থাৎ, Maximum size (MB) –তে Initial size (MB) -র তুলনায় 15 MB কম লিখতে হবে। নিচের Screenshot টি দেখুন, তাহলে ব্যাপারটি আরও পরিস্কার হয়ে যাবে…………………….
৯. ‘Set’ বাটন এ ক্লিক করুন। পরে OK ক্লিক করুন। নিচের মত দেখতে পাবেন………………..
১০. OK ক্লিক করুন। এরপর বাকি সবগুলোতে OK ক্লিক করে বের হয়ে আসুন। এখন আপনার কম্পিউটারকে Restart দিতে বলবে এবং নিচের মত একটি Window আসবে…………………
১১. Yes বাটন প্রেস করুন। ব্যাস, কাজ শেষ! এবার পেন ড্রাইভ অথবা মেমোরি কার্ডকে র্যাম হিসেবে উপভোগ করুন!!!
উপরের লেখাটি PDF ফাইল হিসেবে পড়তে চাইলে, এখানে ক্লিক করুন।
ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন। ও, টিউনটি খারাপ না লাগলে, নিচে মন্তব্য করুন। মন্তব্য না করলে আবারও লেখার কোনো উৎসাহ পাব না>>>
পেন ড্রাইভ দিয়ে সবচেয়ে সহজে উইন্ডোজ ইন্সটল করুন
আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সবাই মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ভাল আছেন।
“ভাল থাকুন ও ভাল রাখুন আপনার পাশের মানুষটিকে”। -বাণী অনি আপু
টিউনার পেইজে এটি আমার ৫ম পোস্ট । কাজেই আমি এখনও নতুন । আশা করি ভুল ত্রুটি গুলো ইতিবাচক দৃষ্টিতে ধরিয়ে দিবেন । টিউনার পেইজে উইন্ডোজ ইন্সটল নিয়ে অনেক গুলো পোস্ট পড়েছি । আমিও আজ উইন্ডোজ ইন্সটল নিয়ে এই পোস্টটি করছি । আমরা অনেকে নেট বুক ব্যবহার করি । কিন্তু নেট বুকে ডিবিডি রুম না থাকায় নতুন করে উইন্ডোজ ইন্সটল করার সময় আমাদের পরতে হয় বিপাকে । আর যাতে এমন বিপাকে পরতে না হয় সে জন্যই পেন ড্রাইভে কি করে উইন্ডোজ ইন্সটল করা যায় তাই আপনাদের দেখাব । এই প্রক্রিয়ায় উইন্ডোজ ইন্সটল করতে আপনার যা লাগবে তা হল
প্রথমে ডেস্কটপ কম্পিউটারের ডিবিডি রুমে উইন্ডোজ সিডিটি প্রবেশ করান । এরপর DVD ISO Maker সফটওয়্যারটি Run করান । নিচের স্ক্রীন শর্টটি দেখুন

Next দিয়ে এগিয়ে যান এবং Save করুন । বেশ ISO ফ্যারমেটে তৈরি হয়ে গেল আপনার সফটওয়্যারটি । এখন তা আপনার পেন ড্রাইভে কপি করে সহজেই উইন্ডোজ ইন্সটল করতে পারেন । কিন্তু কথা হল ISO ফ্যারমেটে তৈরি করা এই ফাইলটি পিসি থেকে আপনার পেন ড্রাইভে সরাসরি কপি হবে না । এজন্য আপনাকে ব্যবহার করতে হবে Universal-USB-Installer সফটওয়্যারটি । নিচের স্ক্রীন শর্টটি দেখুন

এখানে আপনি যে windows দিতে চান সেটি নির্বাচন করুন । আমি windows 7 দিতে চাই তাই সেটি নির্বাচন করেছি ।
নিচের আরো একটি স্ক্রীন শর্ট দেখুন

এবার যে জায়গায় ISO ফাইলটি রেখে ছিলেন তা দেখিয়ে দিন এবং সব শেষে Create দিন ।
মাশাআল্লাহ আপনার ISO ফাইলটি আপনার পেন ড্রাইভে কপি হয়ে গেল ।
এখন থেকে কোন জামেলা ছাড়াই এই প্রক্রিয়ায় পেন ড্রাইভে উইন্ডোজ ইন্সটল করুন ।
“আল্লাহপাক আমাদেরকে সকল অনৈলামিক সংস্কৃতি থেকে হেফাযত করুন “
“ভাল থাকুন ও ভাল রাখুন আপনার পাশের মানুষটিকে”। -বাণী অনি আপু
টিউনার পেইজে এটি আমার ৫ম পোস্ট । কাজেই আমি এখনও নতুন । আশা করি ভুল ত্রুটি গুলো ইতিবাচক দৃষ্টিতে ধরিয়ে দিবেন । টিউনার পেইজে উইন্ডোজ ইন্সটল নিয়ে অনেক গুলো পোস্ট পড়েছি । আমিও আজ উইন্ডোজ ইন্সটল নিয়ে এই পোস্টটি করছি । আমরা অনেকে নেট বুক ব্যবহার করি । কিন্তু নেট বুকে ডিবিডি রুম না থাকায় নতুন করে উইন্ডোজ ইন্সটল করার সময় আমাদের পরতে হয় বিপাকে । আর যাতে এমন বিপাকে পরতে না হয় সে জন্যই পেন ড্রাইভে কি করে উইন্ডোজ ইন্সটল করা যায় তাই আপনাদের দেখাব । এই প্রক্রিয়ায় উইন্ডোজ ইন্সটল করতে আপনার যা লাগবে তা হল
- একটি উইন্ডোজ সিডি
- একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার
- একটি ৮গিগা বাইট পেন ড্রাইভ এবং
- আমার দেওয়া এই দুটি সফটওয়্যার(DVD ISO Maker এবং Universal USB Installer 1.8.6.2)
প্রথমে ডেস্কটপ কম্পিউটারের ডিবিডি রুমে উইন্ডোজ সিডিটি প্রবেশ করান । এরপর DVD ISO Maker সফটওয়্যারটি Run করান । নিচের স্ক্রীন শর্টটি দেখুন
Next দিয়ে এগিয়ে যান এবং Save করুন । বেশ ISO ফ্যারমেটে তৈরি হয়ে গেল আপনার সফটওয়্যারটি । এখন তা আপনার পেন ড্রাইভে কপি করে সহজেই উইন্ডোজ ইন্সটল করতে পারেন । কিন্তু কথা হল ISO ফ্যারমেটে তৈরি করা এই ফাইলটি পিসি থেকে আপনার পেন ড্রাইভে সরাসরি কপি হবে না । এজন্য আপনাকে ব্যবহার করতে হবে Universal-USB-Installer সফটওয়্যারটি । নিচের স্ক্রীন শর্টটি দেখুন
এখানে আপনি যে windows দিতে চান সেটি নির্বাচন করুন । আমি windows 7 দিতে চাই তাই সেটি নির্বাচন করেছি ।
নিচের আরো একটি স্ক্রীন শর্ট দেখুন
এবার যে জায়গায় ISO ফাইলটি রেখে ছিলেন তা দেখিয়ে দিন এবং সব শেষে Create দিন ।
মাশাআল্লাহ আপনার ISO ফাইলটি আপনার পেন ড্রাইভে কপি হয়ে গেল ।
এখন থেকে কোন জামেলা ছাড়াই এই প্রক্রিয়ায় পেন ড্রাইভে উইন্ডোজ ইন্সটল করুন ।
“আল্লাহপাক আমাদেরকে সকল অনৈলামিক সংস্কৃতি থেকে হেফাযত করুন “
Subscribe to:
Posts (Atom)


